Posts

Showing posts with the label ভূগোল

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রয়কৃত অন্যতম তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল

Image
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউএসএ আয়তনে বিশাল একটি দেশ। এটি আয়তনে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তমদেশ। এর আয়তন প্রায় সম্পূর্ণ ইউরোপ মহাদেশের সমান! কিন্তু শুরুতে আমেরিকার আয়তন বা আকার এত বিশাল ছিলো না। উপরে ছবিতে লুইজিয়ানা অঞ্চল ও নিচের ছবিতে আলাস্কা অঞ্চলের মানচিত্র  শুরুতে এর আয়তন ছিলো ৮৯২,১৩৫ বর্গমাইল। ফ্রান্স,স্পেন,রাশিয়া থেকে জমি কিনে ও মেক্সিকোর থেকে জমি দখল করে আমেরিকা দৈত্যাকৃতি লাভ করেছে। আমেরিকা বহু টেরিটোরি বিভিন্ন দেশ থেকে ক্রয় করেছে। তবে আজকে সন থেকে বড় ক্রয়কৃত অঞ্চলগুলো সম্পর্কেই আলোচনা করা হবে। আমেরিকা লুইজিয়ানা, ফ্লোরিডা ও আলাস্কা এই তিনটি রাজ্য বা প্রদেশ যথাক্রমে ফ্রান্স স্পেন ও রাশিয়ার কাছে থেকে ক্রয় করেছিলো। নিচে এ নিয়ে বলা হলো। ফ্রান্সের থেকে লুইজিয়ানা লুইজিয়ানা বিশাল একটি অঞ্চল। এটিই আমেরিকার প্রথম ক্রয়কৃত অঞ্চল। এটি প্রায় আয়তনে প্রারম্ভিক যুক্তরাষ্ট্রের সমান ছিলো। এটি ১৮০৩ সালে ফ্রান্সের কাছে থেকে প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলারে ক্রয় করেছিলো আমেরিকা। এর আয়তন ৮২৭,৯৮৭ বর্গমাইল। তৎকালীন সময়ে এই জমির করায়ত্ত্ব ছিলো ফ্রেন্স সম্রাট নেপোলিয়ন ...

মেলানেশিয়া অঞ্চল পরিচিতি

Image
মেলানেশিয়া হলো ওশেনিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত একটি অঞ্চল। ওশেনিয়া মহাদেশকে পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত করার হয় তার মধ্যে মেলানেশিয়া অন্যতম একটি। মেলানেশিয়া অঞ্চলে স্বাধীন দেশ ছাড়াও কয়েকটি দেশের অঞ্চল রয়েছে। মেলানেশিয়া অঞ্চলে স্বাধীন দেশের সংখ্যা হচ্ছে পাঁচটি।যথাঃ পাপুয়া নিউ গিনি, ফিজি,ভানুয়াতু,সোলোমন দ্বীপপুঞ্জ ও পূর্ব তিমুর [সূত্র : উইকিপিডিয়া ]। তাছাড়া ফ্রান্সের অধিভুক্ত দ্বীপ নিউ ক্যালিডোনিয়া এখানে অবস্থিত।  এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ার কিছু অঞ্চলও এই মেলানেশিয়ায় অবস্থিত। নির্দিষ্টভাবে বললে ওয়েস্ট নিউগিনি অঞ্চল ও মালুকু মেলানেশিয়া তে অবস্থিত। নিউ গিনি দ্বীপ থেকে পলিনেশিয়া আর ওদিকে মাইক্রোনেশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত এই অঞ্চল। এটিও একটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল। মেলানেশিয়া শব্দটি প্রথম ব্যাবহার করে ১৮৩২ সালে ফ্রেন্স নাবিক জুলস ডুমন্ট। তিনি মনে করেছিলেন এখানকার জনগোষ্ঠি পলিনেশিয়া অথবা মাইক্রোনেশিয়া থেকেই উদ্ভুত।  মেলানেশিয়া শব্দটি গ্রীক শব্দ থেকে এসেছে। যার অর্থ কৃষ্ণ বর্ণের লোক। যদিও ইউরোপিয়ানরা এই অঞ্চলকে বর্ণ দিয়া বিবেচিত করেন না শুদুমাত্র বিচিত্র অঞ্চল বলেই বিবেচনা করেন। ...

ওশেনিয়া মহাদেশ পরিচিত।

Image
আজকে ওশেনিয়া মহাদেশ নিয়ে আলোচনা করা হবে। এমন সব তথ্য উপস্থাপন করা হবে যেগুলো না জানলেই নয়। বাকি সকল মহাদেশই উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত কিন্তু ওশেনিয়া মহাদেশ অবস্থিত দক্ষিণ গোলার্ধে। আর মকর ক্রান্তি রেখা এর প্রায় মাঝ বরাবর দিয়ে অতিক্রম করেছে।  ওশেনিয়া মহাদেশ হচ্ছে সবচেয়ে ছোট মহাদেশ। ওশেনিয়া মহেদেশের সবচেয়ে বড় দেশ হলো অস্ট্রেলিয়া। অনেকে এটিকে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ হিসেবে ভেবে ভুল করে।  এর বিশাল বা প্রাত পুরো অংশই জুড়ে আছে অস্ট্রেলিয়া দেশটি। ওশেনিয়া মহাদেশের স্বাধীন দেশ সংখ্যা চৌদ্দটি। এদের মধ্যে সবগুলোই দ্বীপ রাষ্ট্র।  ওশেনিয়া মহাদেশকে প্রবাল প্রাচীরের মহাদেশ বলা হয়। পৃথিবীর সবচাইতে বড় প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রীফ এই মহাদেশেই যেহেতু অবস্থিত। ওশেনিয়া মহাদেশকে চারটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। এই মহাদেশটি প্যাসিফিক বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত। পাঁচটি অঞ্চল গুলো হলো ঃ ১. মেলানেশিয়া 2. মাইক্রোনেশিয়া 3. পলিনেশিয়া 4. অস্ট্রেলিয়া 5. নিউজিল্যান্ড নিচে এই অঞ্চল গুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।  মেলানেশিয়া মেলানেশিয়া অর্থ হ...

জেনে নিন দেশের ভিতরে যত দেশ

Image
আজকে এই আর্টিকেলে ইনক্লেইভ দেশ বা ছিটমল দেশ নিয়ে আলোচনা করা হবে। মানচিত্র ঘাটলে দেখা যায় যে ছিটমল সাধারণ একটা বিষয়। তবে ছিটমল দেশ সত্যি আমাদের অবাক করে। ছিটমহল কী? ছিটমহল হলো এমন একটি অঞ্চল যেটি একদেশের অংশ তবে অবস্থিত অন্য দেশে। সহজ করে বলতে গেলে এমন বলতে হবে যে একটা দেশের জমি অন্য দেশ দ্বারা বেষ্টিত থাকলে বেষ্টিত অঞ্চলকেই বলা হবে ছিটমহল। আর পৃথিবীতে এমন তিনটি স্বাধীনদেশ রয়েছে যারা স্বাধীন তবে কোনো একদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে। এমন নজির সত্যিই বিশ্বয়ের জন্ম দেয়। কারণ কতটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলে সার্বভৌমত্বের এমন খাতির করা হয়। আমরা সবাই ভ্যাটিকান এর নাম শুনেছি বা ভ্যাটিক্যান সিটির নাম শুনেছি। ভ্যাটিকান হলো পৃথিবীর সবথেকে ছোটো স্বাধীনদেশ। এর আয়তন এক বর্গকিমির কম। এটিও একটি এনক্লেইভ কান্ট্রি। স্যান মারিনোও একটি এনক্লেইভ কান্ট্রি। এর পর আশে লেসেথো। নিচে এদের নিয়ে আলোচনা করা হবে। তার আগে আয়তনভেদে ক্রমানুসারে সাজানো যাক। ১. লেসেথো (Lesetho) 2. স্যান মারিনো (San marino) 3.  ভ্যাটিকান সিটি ( Vatican City) লেসেথো  (Lesetho) Lesetho এর অ...

একবিংশ শতাব্দীতে স্বাধীন হওয়া তিন দেশ।

Image
বিদ্র: ফটোর পতাকা কাল্পনিক। বিংশ শতাব্দীতে এসে শুরু হলো ঔপনিবেশিক তার হাত থেকে মুক্তির সংগ্রাম। নিজে নিজে পথ চলার সংগ্রাম। বিংশ শতাব্দীতেই এই ধরিত্রী সাক্ষী হয়েছে দুটো রক্তক্ষয়ী বিশ্ব যুদ্ধের। আর এই বিংশ শতাব্দীতেই স্বাধীন হয়েছে বহু দেশ। আর এই বিংশ শতাব্দীতেই তৈরি হয়েছে জাতিসংঘ। একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে স্বাধীন হয় এশিয়ার তিমুর লেসতে বা পূর্ব তিমুর (East Timor/Timor Leste)। এর পর স্বাধীন হয় ইউরোপিয় ভূখণ্ডে কসোভো। যদিও এটি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে নিচে আলোচনা করা হবে।  এর পর গৃহযুদ্ধে আর রক্তক্ষয়ের পরে স্বাধীন হয় বৈচিত্রময় দেশ দক্ষিণসুদান। এটি শুধু আফ্রিকার বুকেই নয় সারা পৃথিবীর সর্ব কনিষ্ঠদেশ। যদি বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে সর্বকনিষ্ট ক্রমে সাজাই তাহলে পাবো। 1. পূর্ব তিমুর (East Timor) - ২০ই মে,২০০২ 2. কসোভো ( Kosovo) - ১৭ই ফেব্রুয়ারি,২০০৮ 3. দক্ষিণ সুদান ( south sudan) - জুলাই ৯,২০১১  পূর্ব তিমুর (East Timor/ Timor Leste) তিমুর লেসতে বা পূর্ব তিমুর অবস্থিত এশিয়া মহাদেশে। এটির সাথে ইন্দোনেশিয়ান তিমুরের ভূসীমা রয়েছে। এবং এর সাথে ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার কোস্টলাইন রয়েছ...

প্রদেশ নয় এমন উল্লেখযোগ্য মার্কিন অঞ্চলসমূহ

Image
আমরা সকলেই জানি যে জানি যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পঞ্চাশটি প্রদেশ নিয়ে গঠিত। তবে পঞ্চাশটি প্রদেশ ছাড়াও যে যুক্তরাষ্ট্রের আরো কয়েকটি অধিকৃত অঞ্চল রয়েছে তা আমরা কজন জানি? চলুন যেনে নেওয়া যাক যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঞ্চল সম্পর্কে যেগুলো প্রদেশ নয় কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূমিতেও নেই। ( এই লেখাটিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অনেক স্থানে শুধুমাত্র   আমেরিকা বলে সম্বোধন করা হয়েছে। তাই আমেরিকা বলতে এখানে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেই বুঝানো হয়েছে) আমেরিকার সর্বশেষ প্রদেশ হলো হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ বা শুধু হাওয়াই।এর রাজধানী হলো হনুলুলু।এটিই আমেরিকার একমাত্র প্রদেশ যেটি মেইনল্যান্ড বা মূলভূমি থেকে আলাদা।  আমেরিকার এমন অনেকগুলো অঞ্চল রয়েছে যেগুলো প্রদেশ নয় তবে তা আমেরিকার অধিভুক্ত অঞ্চল। এখানে প্রধান পাঁচটি আমেরিকার প্রদেশ নিয়ে আলোচনা করা হবে। সেগুলো হলো: 1. পোর্তো রিকো (Puerto rico) 2. গুয়াম (Guam) 3. উত্তর মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ (Northern Marian Islands) 4. ইউ.এস ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ( U.S. virgin islands) 5. মার্কিন সামোয়া (American Samoa) উপরের প্রত্যেকটি অঞ্চলই দ্বীপাঞ...

পাপুয়া নিউ গিনির আদ্যোপান্ত

Image
পাপুয়া নিউ গিনি এর আদ্যোপান্ত। পাপুয়া নিউ গিনি পৃথিবীর স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। এই দেশ সংবাদে খুব কম আসলেও এটির প্রভাব বিশ্বে ঠিকই রয়েছে। আজকে পাপুয়া নিউ গিনি সম্পর্কে জানবো। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপের নাম পাপুয়া নিউ গিনি (New guinea) আর প্রথম বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড।আফ্রিকার গিনি অঞ্চলের মানুষের সাথে এখানকার মানুষের মিল থাকায় এর নাম দেয়া হয় নয়া গিনি। যার অবস্থান ওশেনিয়া মহাদেশে। নিউ গিনি দ্বীপের আয়তন ৭৮৫,৭৫৩ বর্গকিলোমিটার। এই দ্বীপের প্রায় অর্ধেকাংশ নিয়েই গঠিত হয়েছে পাপুয়া নিউগিনি। আর এই দ্বীপের ওয়েস্ট পাপুয়া ও পাপুয়া অঞ্চল ইন্দোনেশিয়ার অন্তর্ভুক্ত। অতএব দেখা যাচ্ছে পাপুয়া নিউগিনির সাথে ল্যান্ড বর্ডার আছে শুধুমাত্র ইন্দোনেশিয়ার সাথে। পাপুয়া নিউগিনি অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ১১১কিমি দূরে অবস্থিত। পাপুয়া নিউ গিনির ৬০০ এরও অধিক দ্বীপ রয়েছে যা ছড়িয়ে রয়েছে মেলানেশিয়া অঞ্চল জুড়ে। আর এর স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপের নাম বুগেনভিল,যার অবস্থান সলোমোন দ্বীপপুঞ্জের নিকটে। শুরুতে বুগেনভিল স্বাধীন রাষ্ট্র হতে চাইলেও পরে এটিকে পাপুয়া নিউগিনির সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৮৮৪ সাল থেক ...